Prothom Alo

ব্যাংকে না রেখে যেভাবে ‘টাকা দিয়ে টাকা বানাবেন’


নিজস্ব
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩শে জুলাই ২০২৬ ,১:১১ পূর্বাহ্ন
প্রিন্ট সংস্করণ |
ফটোকার্ড
ব্যাংকে না রেখে যেভাবে ‘টাকা দিয়ে টাকা বানাবেন’

প্রথম আলো | ব্যবসা ও বিনিয়োগ

অর্থনীতি প্রতিবেদক, ঢাকা 

অনেকেই কষ্টার্জিত সঞ্চয় শুধু ব্যাংকে ফেলে রাখেন বা প্রথাগত ১০% মুনাফার স্থায়ী আমানতে (FDR) আটকে রাখেন। কিন্তু মুদ্রাস্ফীতির বাজারে অলস টাকা দিন দিন তার প্রকৃত মূল্য হারায়। অর্থনৈতিক মুক্তি বা ফিন্যান্সিয়াল ফ্রিডম অর্জনের মূল মন্ত্রই হলো—টাকাকে নিজের জন্য খাটানো।

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জীবনদর্শন এবং আধুনিক অর্থনীতির সফল মডেলগুলোর ওপর ভিত্তি করে, কীভাবে আপনার সঞ্চয়কে একটি স্বয়ংক্রিয় আয়ের উৎসে পরিণত করবেন, সহজ পথ নিচে তুলে ধরা হলো:

 

কীভাবে টাকা দিয়ে টাকা বানানো যায়? 

বেশ অনেকদিন আগে এরকমই একটা প্রজেক্টে বিনিয়োগ কার সুযোগ হয়েছিলো। শুরুতে স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা দ্বিধায় থাকলেও যখন থেকে আমার সঞ্চয়ের টাকাগুলোর থেকে ব্যাংকের বাৎসরিক রিটার্নের বেশি পরিমাণ আমার একাউন্টে প্রতিদিন যুক্ত হতে দেখলাম তখনি আগ্রহ বাড়তে শুরু করলো। শুরু করেছিলাম মাত্র ২০ হাজার টাকা দিয়ে কিন্তু চোখের সামনে একাউন্ট ম্যানেজারে সহায়তায় তা যখন সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ৯ লাখ টাকায় পরিণত হতে দেখলাম তখন অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছিলো। আস্তে আস্তে আসতে আরও গভীরভাবে বোঝার চেষ্টা করছিলাম। তখন মনে হয়েছিল, এই ধরনের উদ্যোগ মানুষের আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং অবসরের পর আর্থিক পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

কিভাবে কাজ করে এটি?

একটি ওয়েব-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারের বিভিন্ন পণ্যে ইনভেস্টমেন্ট করা যায়। কোন বাজারের কোন পণ্যে ইনভেস্টমেন্ট করা যেতে পারে, কীভাবে পুরো প্রক্রিয়াটি এগোবে—এসব বিষয় অভিজ্ঞ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দেন।
যেটা আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে, তা হলো তাদের সহযোগিতা। আমি জানতে পেরেছি, অনেক অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের এই খাতে ১০–১২ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তারা খুব ধৈর্য নিয়ে প্রতিটি বিষয় বুঝিয়ে দেন এবং যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সময় নেন।
ভাবুন তো, বাংলাদেশে বসেই একজন অভিজ্ঞ অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা নিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ! এতে পুরো বিষয়টি বুঝতে অনেক সহজ লাগে, আর নিজের সিদ্ধান্তও আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নেওয়া যায়। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিরাপদে রিটার্ন পাওয়া যায়। 

 

বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেটে কেন নয়?

এর উত্তরটা আসলে বাজারের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে। বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট একটি উন্নয়নশীল মার্কেট, যেখানে কখনো কখনো বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ যেমন বাজারের ওঠানামা, তথ্যের সীমাবদ্ধতা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার বিষয়গুলো দেখা যায়। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মার্কেটগুলো তুলনামূলকভাবে অনেক বড়, বৈচিত্র্যময় এবং বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন কোম্পানি ও খাতের সঙ্গে যুক্ত। সেখানে বিনিয়োগের আগে বিভিন্ন ধরনের তথ্য, বিশ্লেষণ এবং মার্কেট ট্রেন্ড পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাওয়া যায়।

 

কতদিন মেয়াদী হয়ে থাকে ইনভেস্টমেন্ট স্কিম?

এখানে কোন টাইম লিমিটেশান নাই। আর এটাই আমার মনে হয় সবচেয়ে চমৎকার বিষয় এই প্রজেক্টের। আপনি চাইলে প্রতিদিন বিনিয়োগ এবং রিটার্ন সংগ্রহ করতে পারেন অথবা নির্দিষ্ট মেয়াদে বা দীর্ঘস্থায়ী নিরাপদ পণ্যেও কিংবা শেয়ারেও বিনিয়োগ করতে পারেন। এরচেয়ে মজার বিষয় যখন তখন টাকা জমা দেয়া কিংবা উত্তোলন করতে পারেন। ব্যাংকে টাকা রেখে আমরা নির্দিষ্ট মেয়াদে রিটার্ন ভোগ করার জন্য বছরের বছর অপেক্ষা করার কিছু নেই এতে। তাই আমার মনে হয় সঞ্চয়ের টাকা যখন তখন বিনিয়োগের জন্য এটি হতে পারে প্রথম পছন্দ, হোক সেটা স্বল্প কিংবা দীর্ঘ মেয়াদী।
সঞ্চয়ের অর্থ কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার করা হবে— আপনার একাউন্ট ম্যানেজার সব সময় আপনাকে অবগত করেন এবং আপনার সিদ্ধান্তেই হয়। 

কতটুকু সেফ? 

আমি যেহেতু এটা ব্যবহার করছি তাহলে আপনারা ধারণা করতেই পারেন কতটুকু সেফ! তাছাড়া এই উদ্যোগের সাথে বাংলাদেশের অনেক বড় বড় নাম জরিয়ে আছে। দেশের সুনামধন্য অনেকেই এখানে বিনিয়োগ করেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই মাসে ১০-১২ লাখ টাকার বেশি আয়ও করছেন। এছাড়া আমি খোঁজ নিয়েছি, এটি বাংলাদেশ সরকার দ্বারা নিবন্ধিত, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ইন্টার্ন্যাশনাল বিভিন্ন রেগুলেটারি বডি দ্বারা সার্টিফাইড প্রতিষ্ঠান। এবিষয়ে আপনারা নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন। আমি এটি দ্বায়িত্ব নিয়ে বলছি। এটিইও বলছি, এটি বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে পারে।  

কারা করতে পারবেন? 

আপনি যদি স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি করতে পারবেন। নেই কোন বয়সের সীমাবদ্ধতা কিংবা অন্যকোন কন্ডিশান। আপনার কাছে যদি ইনভেস্টমেন্ট করার মতো ২০ হাজার টাকা থেকে থাকে তবে আজ থেকেই শুরু করতে পারবেন। চাইলে বড় বিনিয়োগ করারও সুযোগ আছে। সেক্ষেত্রে রিটার্ন কয়েক হাজার পার্সেন্টও হতে পারে। 
তবে বাংলাদেশীরা, প্রতিষ্ঠানটিতে বেশ অল্প কিছু মানুষ বিনিয়োগের সুযোগ পাবেন। আপনি যদি এই সুযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান অথবা বিনিয়োগ করতে চান, তাহলে এখনই নিচের ফর্মটি পূরণ করুন। তাদের টিমের প্রতিনিধি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো বিষয়টি সহজভাবে বুঝিয়ে দেবেন।

কিভাবে এখানে বিনিয়োগ করতে পারবেন?

যারা এই তথ্যটি দেখছেন, আপনি হয়তো এই উদ্যোগ সম্পর্কে আরও জানতে আগ্রহী।

প্রতিটি বড় সিদ্ধান্ত শুরু হয় সঠিক তথ্য জানার মাধ্যমে। তাই বিস্তারিত বুঝতে এবং আপনার জন্য এই সুযোগটি উপযুক্ত কি না জানতে নিচে থাকা ফর্মটি পূরণ করুন।

মাত্র কয়েকটি তথ্য দিয়ে আপনার আগ্রহ নিবন্ধন করুন। তাদের প্রতিনিধি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরো বিষয়টি সহজভাবে ব্যাখ্যা করবেন এবং আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

📌 সুযোগ সম্পর্কে জানুন
📌 বিস্তারিত তথ্য পান
📌 নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিন

আজই ফর্মটি পূরণ করুন এবং নতুন সম্ভাবনা সম্পর্কে জানার প্রথম ধাপটি নিন।

 

মনে রাখবেন: টাকা দিয়ে টাকা বানানোর প্রক্রিয়াটি কোনো জাদুর কাঠি নয়। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা এবং তাড়াহুড়ো না করার মানসিকতা। আজই আপনার অলস পড়ে থাকা সঞ্চয়কে সঠিক খাতে খাটিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন।

প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার: আজকের যুগে তথ্যপ্রযুক্তি আপনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এটিকে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিনোদনের মাধ্যম না বানিয়ে নিজের সৃজনশীলতা ও আয়ের বড় উৎস হিসেবে ব্যবহার করুন।

প্রথম আলো: মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস: প্রথম আলো এবং পাঠকদেরও ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকুন।

 

আর্থিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান নিয়ে নিজের দীর্ঘদিনের লালিত জীবনদর্শন ও চিন্তাভাবনা নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

এখনই ফর্মটি পূরণ করুন

আপনার তথ্য জমা দেওয়ার পর আমাদের প্রতিনিধি দ্রুত আপনার সাথে যোগাযোগ করে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় আপনাকে সহায়তা করবেন।